Home এক্সক্লুসিভ ‘দুর্যোগে ৩০ বছরে গৃহহীন হবে দেড় কোটি মানুষ’

‘দুর্যোগে ৩০ বছরে গৃহহীন হবে দেড় কোটি মানুষ’

‘দুর্যোগে ৩০ বছরে গৃহহীন হবে দেড় কোটি মানুষ’
ছবি: জি নিউজ

দ্বীপ জেলা ভোলায় নদী ভাঙনের সমস্যা প্রকট। নদী ভাঙনে ফসলি জমি, বাড়িঘর হারিয়েছেন অনেকেই। তাদেরই একজন রাজা মিয়া। সহায়-সম্পত্তি সব হারিয়ে এখন রাজধানীর কড়াইল বস্তির বাসিন্দা।

নদীভাঙনে কড়াইলের বাসিন্দা হয়েছেন ভোলার মাহমুদাও। বছরখানেক আগেও স্বচ্ছল জীবন ছিল তার। আর এখন শুধুই অনিশ্চয়তা।

দেশে বাড়ছে জলবায়ু উদ্বাস্তুর সংখ্যা। নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন উপকূলের অনেক এলাকার মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে আগামীতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, কৃষিজমিতে লবণাক্ততা, ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে বাড়ছে নদীভাঙনের মতো সমস্যাও। এতে বাসস্থান, কৃষিজমি ও জীবিকা হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হচ্ছেন অনেকে। এই জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ আশ্রয়ের সন্ধানে আসছে বড় শহরে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য বলছে, প্রতিবছর চার লাখ মানুষ গ্রাম ছেড়ে শহরে আসে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে। এই সংখ্যা প্রতিদিন দুই হাজারের মতো। তাদের মধ্যে শতকরা ৭০ ভাগ জলবায়ু উদ্বাস্তু।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবির বলছেন, কৃষিজমিতে লবণাক্ততা ঢুকে পড়ায় আগামীতেও বাস্তুচ্যুত হবে উপকূলীয় অনেক এলাকার মানুষ।

জলবায়ু উদ্বাস্তু বাড়ার কথা বলা হলেও পুনর্বাসন নিয়ে পরিকল্পনার অভাব দেখছেন বিশ্লেষকেরা। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ২০৫০ সাল নাগাদ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার এক কোটি ৩৩ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here