মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২৫, ২০২২

Close

Home লাইফস্টাইল লেখালেখি হতে পারে মানসিক প্রশান্তির উপায়

লেখালেখি হতে পারে মানসিক প্রশান্তির উপায়

চিন্তা, অনুভূতি, অভিজ্ঞতা বা প্রতিদিনের ঘটনা কোথাও গুছিয়ে লিখে রাখার অভ্যাস মানসিক স্বস্তি দিতে পারে। এই অভ্যাস রীতিমতো মস্তিষ্কের রাসায়নিক গঠনে পরিবর্তন আনতে সক্ষম বলে দাবি করেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “লেখালেখি মানুষকে তার বদ্ধ অনুভূতিগুলোকে প্রকাশ করার একটা মাধ্যম দেয়। এতে ব্যক্তি হালকা অনুভব করেন। এছাড়াও এই অনুভূতিগুলো সামাল দেওয়ার অভূতপূর্ব পদ্ধতি নজরে আসে।”

শুধু সুখকর অনুভূতি দেওয়া নয়, মনের কথাগুলো লিখে রাখার অভ্যাস স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্যও উপকারী। জীবনের চড়াই উৎরাইয়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ হয় এই অভ্যাসের কল্যাণে।লেখালেখির প্রেক্ষিতে বন্ধ হবে মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী হরমোন তৈরি। আর শুরু হবে শরীর ও মনকে শান্ত করার হরমোনের উৎপাদন।

নিজের মনের ভাবগুলো লিখে রাখা কীভাবে শুরু তা জানা না থাকলে একটা কথাই মাথায় রাখা জরুরি। আর তা হল মনে যা আছে তাই লিখে ফেলা। কোনো কিছুই বাদ দেওয়ার নেই। জীবনের ইতিবাচক ঘটনা, এমন কিছু যা আপনার মন ভালো করে দেয় তা দিয়েই শুরুটা করা সবচাইতে সহজ।

জীবনের যে প্রাপ্তিগুলোর জন্য আপনি কৃতজ্ঞতা অনুভব করেন সেগুলো নিয়ে কিছু লেখার মাধ্যমে জীবনের ইতিবাচক দিকের প্রতি মনযোগ বাড়াতে পারবেন সহজে। এখানে থাকতে পারে কোনো ব্যক্তির বদান্যতা, কোনো ঘটনা, আপনার কোনো কাজ, কোনো বিশেষ বস্তু যা আপনার জীবনে আছে বলে আপনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন।

কষ্টগুলো লিখে রাখার মাধ্যমে নিজেকে হালকা করে নিতে পারেন। আপনার বিরক্তি, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ইত্যাদির কারণগুলোও এখানে থাকতে পারে। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় মানতে হবে। শুধু সমস্যাগুলো লিখে রাখলেই হবে না, সঙ্গে তা সমাধানের সম্ভাব্য উপায়গুলোও সেখানে লিখে রাখতে পারেন।

লিখতে বসে মাথায় অনেক কিছুই ঘুরপাক খাচ্ছে কিন্তু কিছুতেই গুছিয়ে লিখতে পারছেন না। এমন অবস্থায় আগে ভাবতে হবে কেনো আপনি এই লেখার অভ্যাস গড়তে চান, উদ্দেশ্য কী ছিল। লক্ষ্য স্থির করতে পারলে তা অর্জনের পথ বের করা সহজ হবে। সময় বেঁধে নিয়েও উপকার পেতে পারেন।

ডেল্টামেইল/জেএ

আপনার মন্তব্য দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

- Advertisment -
  • সর্বশেষ
  • আলোচিত

সাম্প্রতিক মন্তব্য

স্বঘোষিত মহাপুরুষ on লকডাউন বাড়লো আরও একসপ্তাহ
জান্নাতুল ফেরদৌস on চিরবিদায় কিংবদন্তি কবরীর